Subscribe Us

২০১৬ - ২০২১ রহস্য সমাধান ( সমাধান : রহস্যের নাম ভাংচি কেস )


আমি কৌশিক পাল | আমার দাদু  Dr. Sunil Krishna Pal  ১৯৫১ সালে শৈলেন্দ্র সরকার স্কুল থেকে মাধ্যমিকে প্রথম হয়েছিলেন | আমার বাবা ছিলেন কলেজের প্রফেসর এবং আমি ইঞ্জিনিয়ার | 
আমার উপর অত্যাচার চলছে | বিগত 20 বছর ধরে আমি বারুইপাড়াতে বসবাস করছি | ঘটক পরিবারেররা প্রথমে নোংরা ফেলা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি  গোমতী ভবনের সাথে করানোর চেষ্টা করেছিল | আমি ইঞ্জিনিয়ারিং করতে যাওয়ার পর  থেকেই আমাদের পাশের রাস্তায় যেকোনো কিছু অসভ্য কুৎসিত জিনিস পরে থাকলেই অতসী ঘটক ম্যাডাম গোমতী ভবনের মালিক শুনি কাকিমার সাথে এই নিয়ে স্কুল যাওয়ার আগে আমাদের নাম জড়াতে চাইতেন | আর মাঝেই স্কুল যাওয়ার আগে বলতে বলতে যেতেন কি অসভ্য লোক  এরা | 

 

 ওনারা প্রায় ৮ বছর ধরে আমাদের পাশের রাস্তায় নিজেদের বাড়ির সামনে গাড়ি রেখে দিতেন | গাড়ি নিয়ে একাই পুরো গলিটা ব্যবহার করতেন যার দরুন ওনাদের হঠাৎ গাড়ি করে বেরুতে হলে কাউকে আবার গাড়ি সরিয়ে  দিতে বলবার দরকার নেই | ওনারা রাস্তাতে একাই গাড়ি রাখতেন বলে ওনাদের খুব মজা ছিল | এরপর আমি গাড়ি কিনতেই ওনাদের সমস্যা হয়ে দাঁড়ালো কারণ ওনারা কেউই গাড়ি চালানো জানেন না | ভানু কাকু ওনাদের ড্রাইভার থাকেন আলমবাজার যা প্রায় ৩ কিলোমিটার দূর | আমি কিন্তু নিজের গাড়িটাকে পিছনেই রাখবো বলেছিলাম কারণ আমার গাড়ি বেরোয় কম , আপনাদের গাড়িই সামনে থাকুক| কিন্তু আপনাদের সেটাতে অসুবিধা কারণ যখন তখন ভানু কাকুকে আস্তে হচ্ছে গাড়ি সরাবার জন্য | আপনার গাড়িটা কিন্তু আমিও চালিয়ে সরিয়ে দিতে পারতাম যদি আপনি চাবি দিতেন | কিন্তু আপনি আমাকে আবার চাবি দিতে চান না কেন সেটা আপনি জানেন | আমাকে চাবি দিয়ে দিলেই তো হয়তো সমস্যা মিটতো |

 

যাইহোক আমার পিছনে শ্যামল ঘটক ও তার পরিবারের লোকজন ফন্দি এঁটে ড্রাইভার ভানুর সাহায্য নিয়ে লাইসেন্স কেস দেবিগড় ক্লাব এ এবং অন্যান্য নানা ক্লাবে জানাতে বলে ড্রাইভার দের ইশারা করে | এরপর ড্রাইভার এর দল ক্লাব থেকে অনেক লোকজন এনে আমি লাইসেন্স চুরি করেছি বলে আমাকে পাড়ার মধ্যে এক নির্দয় ব্যক্তি প্রমাণিত করে ফেলে | ( https://youtu.be/DQj7MyIPn0Y ) সেই থেকে পাড়ার অন্যান্য লোকজন আমাকে ঘৃণা করতে শুরু করে | এখন পাড়ার সবাই এমন হয়েছেন যে যেকোনো মিস্ত্রি ,কাজের মাসি নিয়ে ঝামেলাও নিজেরা আপন করে নিচ্ছেন যেন আমরাই প্রকৃত দোষী |  


 










এরপর হটাৎ করে একদিন গাড়ি সরাতে একটু দেরি করে ফেলেছি বলে ( বাথরুমে ছিলাম ) ঘটক পরিবারেরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে আমাকে পিঠের চামড়া গুটিয়ে দেবে বলে, এরপর আরো নানান ভাবে আমাকে অপমানিত করে সবার সামনে আমাকে একদম ছোটলোক বোঝাতে চেষ্টা করতে থাকেন ওনারা | তিনি এও বলেন যে আমি একটা যেকোনো কলেজের ইঞ্জিনিয়ার | আই.আই.টি এর ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া চলবে না | 

 


এরপর আমি উকিলবাবু গোপাল মন্ডলের শরণাপন্ন হই | উনি আমাকে পরামর্শ দেন যে ঘটক পরিবারেরা আমার বাড়ি দখল করতে চাইছেন | উনার কথামতো আমি আমার বাবার বাড়িটাকে আমার আর আমার মায়ের নামে করতে ব্যস্ত হয়ে উঠি | অনেক দৌড়ঝাঁপ করে মিউটেশন সার্টিফিকেট বের করি | এতে প্রায় একবছর সময় চলে যায় | এইসব করার পর আমি ক্লান্ত হয়ে উঠি |এছাড়াও উকিলবাবু গোপাল মন্ডল আমাকে ঘটক পরিবারের বিরুদ্ধে চারটি কেস করবার কথা বলেন | ওনার কথামতো আমি তাই করি | 

 

পুলিশ আসলে ওঁরা আমার নামে পুলিশকে বলতে শুরু করে | ঘটক পরিবারেরা পাড়ার মধ্যে মেয়ে যাদের আছে তাদের বাবাদেরকে সাথে নিয়ে পুলিশের সামনে ভয় পাওয়ার অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ হয়ে উঠে বলে যে ওনাদের পাড়ায় সবারই মেয়ে আছে | আমি কখন না কখন ওনাদের মেয়েদের হাত ধরে টান দেব সেই ভয়ে ওনারা ভীত | আরে বাবা, আমারও  তো বিয়ে থা করবার ইচ্ছা আছে | এরকমভাবে পাড়ার সবাইকে আমার সম্মন্ধে ভুল বিভীষিকা ভাবতে দেখে আমার মাথা খারাপ হয়ে যায় | আর ওনারা এইবার আমার চরিত্রতেও কালী লাগাতে চায় দেখে আমি আস্তে আস্তে মানসিক ভাবে অসুস্থ  হয়ে পড়ি |


এবং সবসময় ভাবতে ভাবতে আমার মাথায় ঢোকে যে ওঁরা আমাকে আমার মায়ের অবর্তমানে না কোনোদিন গায়ে হাত দিতে আসে | কি করলে ওঁরা সবথেকে বেশি রেগে যেতে পারে এবং আমাকে তখুনি রেগে গিয়ে গায়ে হাত দিতে আসে কিনা এই জানতে  এবং রেগে গিয়ে ( সম্ভবত,আমার ডাক্তারবাবু উদয় চৌধুরীর ওষুধের বিক্রিয়ায় আমার মধ্যে এতো রাগ উৎপন্ন হয়  ) আমার দশ বৌ  আছে বলে বাড়ির সামনে পোস্টার লাগিয়ে দি , যাতে আমি জানতে পারবো যে আমাদের এঁরা পিটিয়ে মেরে ফেলবার চেষ্টা করছেন কিনা |

 

এরপর তারা আমাকে জেল এ পাঠায় ( ০৫.০১ .২০১৯  ) | জেল এ গিয়ে সেখানে দায়িত্বে থাকা অফিসার ইন চার্জ স্যার এর নির্দেশমতো আমি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার চেষ্টায় Shaadi.com দেখে এক গ্রামের ডিভোর্সি মেয়েকে বিয়ে করে সংসার করা শুরু করি | 

আমি বিয়ে করে স্বভাবিক জীবনে  ফিরে আসছি দেখে , আমার উপর মানসিক অত্যাচার এবার এঁরা দ্বিতীয় পর্যায় নিয়ে  যায় | 

আমার নতুন বিয়ে | Arrange  ম্যারেজ | তারপর বৌ আবার ডিভোর্সি | আগের স্বামীর উপর ক্ষোভ রয়েছে | ওনারা প্রথমে কিছুদিন আমাদের বৌয়ের পরিবারকে বুঝে নিয়ে  আমার শাশুড়িকে নানান ভাবে লালসার বলি করতে চান | উনারা নানান ভাব আমার শাশুড়িকে বোঝাতে সক্ষম হয়ে উঠেন যে আমি একটা পাগল | তাছাড়া অসভ্য লোক | কারণ আগে আমরা কলোনিতে থাকতাম একদম ছোটবেলায় ( ছোট থেকে ক্লাস ৬ পর্যন্ত ) | আমরা হয়তো বলতে পারি যে আমার দাদু মাধ্যমিকে প্রথম হয়েছিলেন কিন্তু আমাদের স্টেটাস নেই | এই সব গল্প শুনতে আমার শাশুড়ি নানান সময়ে পাশের বাড়িতে কাটোয়া থেকে ডাইরেক্টলি এসে পরে আমাদের বাড়ি আসতেন 

এখনকার অনলাইনের যা অবস্থা তাতে একেই মেয়েরা Shaadi.com এ একটা FREE প্রোফাইল খুললেই কাতারে কাতারে পুরুষ তাদের ছেঁকে ধরে | হোয়াটস্যাপ চ্যাট এ ভরে যায় 

লোভে পরে আমার গরিব শাশুড়ি আমাদের নামে যা তা লিখে কেস করেন কারণ আমি নাকি উনাদের মেয়েকে সন্তান ধারণ করিয়ে উনাদের সাথে ছেলেখেলা করেছি এবং ওনাদের নাকি উনিশ কাঠা জমির মালিক বিয়ে করবেন বলে মুখিয়ে আছেন | 


আমার শুধু জানতে ইচ্ছা করে যে এটা কি অনলাইন এ প্রচলিত ভয়ানক ফাঁসিয়ে দেওয়ার গেম Blue Whale Game এর থেকেও ভয়ানক নয় ? 

  উত্তর : এটা হলো ভাংচি কেস  ( মানে : এঁরা কি কি ভাবে ভাংচি দিতে পারে আমার দাদু মাধ্যমিক এ প্রথম হয়েছিল জেনে ) 

আমি কিন্তু মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছি | আমার কানের মধ্যে সবাই যেন সবসময় কথা বলছে  এবং আমিও একা একা কথা বলতে শুরু করেছি | আমি এখন সবসময়ই প্রায় একা একা নিজের মনে কথা বলি | ডাক্তারবাবুর কথায় এই অসুখের নাম Schizophrenia nearing psychosis| ২ তিন দিন ওষুধ বন্ধ করলেই মুশকিল হয়ে যায় 

















Restrain Order : 







Legal Protection








Caveat









Post a Comment

0 Comments