Subscribe Us

যীশুর বাড়িতে ২০১৮-১৯ সালে কি ঘটেছিলো ?

 
কোনোদিন যীশুর উপাখ্যান পড়েছেন ? পড়লে জানবেন নোয়ার কথা | নোয়া পৃথিবীতে বন্যা আসবার আগাম ইঙ্গিত ঈশ্বরের স্বপ্নাদেশ এ  পেয়ে তিন মাস ধরে একটা বিশাল আর্কৃতির কাঠের জাহাজ তৈরী করে বন্যা আসবার পর সমস্ত প্রাণীদের সেই জাহাজে আশ্রয় দিয়েছিলেন | সমস্ত প্রাণিকুল নোয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছিল | নোয়া যখন এই কাঠের জাহাজ তৈরিতে ব্যস্ত ছিলেন তিন মাস , সেই সময় তার পাড়া-পড়শিরা তার এই স্বপ্নাদেশ বিশ্বাস করতে পারেন নি কোনোদিন | পাড়া-পড়শিদের কাছে তিনি ছিলেন পাগল প্রলাপ করা নোয়া | পাড়া-পড়শিরা তাকে সব সময় ব্যঙ্গ করতেন যে হঠাৎ করে এতো বড়ো বন্যা আসবে কিভাবে ? কিন্তু শেষ পর্যন্ত যখন বন্যা এলো , তখন সেই পাড়া -পড়শিরাই তার জাহাজে উঠাবার জন্য তার কাছে ভিক্ষা চাইতে লেগেছিলেন | কিন্তু নোয়া ছিলেন সহৃদয় ব্যক্তি | তিনি ছিলেন ঈশ্বরের দুত | তিনি সহৃদয়ে পাড়া - পড়শিদের জাহাজে জায়গা করে দিয়েছিলেন | 
আমি কৌশিক পাল ( এখন খবর প্রতিষ্ঠাতা ) ছোটবেলায় ক্লাস ১ থেকে ১০ স্কটিশ চার্চ স্কুলে পড়তাম | সেখানে প্রতি বছর বাইবেল সাবজেক্ট এ  নম্বর ভালো রাখতে হতো | সেই বাইবেলে "নোয়ার কথা " বলে এই গল্পটি ছিল | ক্লাস ১০ এর পর আমি enigneering করে B .Tech  কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হয়ে কোম্পানিতে চাকরি করছিলাম | কিন্তু যখন আমার ত্রিশ বছর বয়স হলো , এই সময় হঠাৎ আমার ধ্যান করবার ইচ্ছা হলো | আমি পাড়া পড়শিদের সাথে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়লাম | আমি আমার বাড়ির বারান্দায় বসেই ধ্যান করতাম পৃথিবী ও সূর্য তত্ত্ব নিয়ে , অনেক কথা মনে পড়লে লিখে রাখতাম | আমার আবার মহাকাশ নিয়ে জানার খুব উৎসাহ ছিল | ধ্যানের প্রথম দিন ধ্যান করবার পরেই আমার মাথায় এলো যে সূর্য থেকেই তো পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহমণ্ডলীর সৃষ্টি হয়েছে | সেখানে পৃথিবী ও শনি গ্রহের মধ্যে কত পার্থক্য ! পৃথিবীতে যেমন এতো সুন্দর প্রাণের সৃষ্টি হয়েছে , সেইরকমই মায়াবী পাহাড় ও সমুদ্রও বড়োই সুন্দর | শনি গ্রহতে কিন্তু আবার এসব কিছুই নেই | শনি গ্রহ একটা বিশাল Gas giant
শনি যদি তার চৌম্বকীয় বলয় দিয়ে মহাকাশ থেকে আসা সমস্ত উল্কাপিণ্ডদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে জানে তাহলে পৃথিবীর মানুষেরা কেনো সেই উল্কাপিণ্ডের  হাত থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করবার কথা চিন্তা করেনি এখনো  ? 
একটা বিশাল স্পেস স্টেশন বানাতে হবে যার মধ্যে পৃথিবীর সমস্ত মানুষের জন্য একটা করে চেম্বার থাকবে | স্পেস স্টেশন থেকে নিচে পৃথিবীতে নেমে আসা যাবে প্রয়োজনে | ভূমিকম্প হলেই স্পেস স্টেশন টা হাওয়ায় ভাসতে থাকবে আর তার মধ্যে থাকবে সমস্ত মানুষজন | ভূমিকম্প থামলে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসা যাবে | এই স্পেস স্টেশনের থাকবে চারটি বিশাল লম্বা চুম্বকীয় হাত যা দিয়ে ধরা যাবে পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাওয়া অথবা পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা উল্কাপিন্ড | বাঁচবে পৃথিবী এবং তার সমস্ত প্রাণিকুল | এইটাই তো করতে হবে | তাই এখন খবরের tagline দিয়েছিলাম  " আমাদের ঠিক কি করতে হবে " | ভেবেছিলাম আমার এই খবর লোকজনের মনে একটা আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারে |  
কিন্তু এই খবর কেউ পড়তেই এলো না | বরং পাশের বাড়ির শুনি কাকিমা এসে বলে বসলেন আমি নাকি ধ্যান ট্যান করে বাড়ির সামনের রাস্তা নোংরা করছি | প্রতিবেশীদের মধ্যেই কে একজন আমার বাড়ির গুগল প্লেসেস রিভিউ করে অ্যানোনিমাস হয়ে লিখলেন যে আমি নাকি পাগল হয়ে গেছি এবং যেকোনো সময় এই পাগলামির জন্য যে কাউকে আমাদের বারান্দার উপরের ব্যালকনি থেকে কাঁচের গ্লাস ছুড়ে মাথা পর্যন্ত ফাটিয়ে দিতে পারি ; এমনি নাকি আমার পাগলামি | তারা কিন্তু কেউই আমার ওয়েবসাইট টি একবারের জন্যও ঘেটে দেখলো না | আমিও হতাশ ছিলাম যে কেহই আমার এই খবর পড়বে না | আমি ফেইসবুক এ পোস্ট দিলাম ৫০০ জন লোক লাইক দিলো | আপনারাই বলুন এই বিংশ শতাব্দীর সাইন্স ফিক্শন মুভিস এর যুগে আমরা কি এরকম ভাবতে পারি না ? 

যে 

একটা বিশাল স্পেস স্টেশন বানাতে হবে যার মধ্যে পৃথিবীর সমস্ত মানুষের জন্য একটা করে চেম্বার থাকবে | স্পেস স্টেশন থেকে নিচে পৃথিবীতে নেমে আসা যাবে প্রয়োজনে | ভূমিকম্প হলেই স্পেস স্টেশন টা হাওয়ায় ভাসতে থাকবে আর তার মধ্যে থাকবে সমস্ত মানুষজন | ভূমিকম্প থামলে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসা যাবে |
এইগুলোই তো এইবারে মানুষকে বাস্তব করতে হবে | এইভাবেই তো মনুষ্য জাতি তাদের নিজেদেরকে রক্ষা করতে পারবে ভবিষ্যতে , তাই নয় কি ?
খবরটি পছন্দ হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন |

Post a Comment

0 Comments