Subscribe Us

২০১৮ রহস্য সমাধান


আমি কৌশিক | আমার উপর অত্যাচার চলছে | বিগত 20 বছর ধরে আমি বারুইপাড়াতে বসবাস করছি | নোংরা ফেলা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি প্রথমে গোমতী ভবনের সাথে হয়ে যাওয়ায় ঘটক পরিবারেররা সেই সুযোগ নিয়ে নিজেদের গাড়ির সাথে আমার গাড়ি রাখা নিয়ে একটা ঝগড়া বাঁধতে চায় | আমি কিন্তু নিজের গাড়িটাকে পিছনেই রাখবো বলেছিলাম , আপনাদের গাড়িই সামনে থাকুক| কিন্তু আপনাদের সেটাতেও অসুবিধা কারণ যখন তখন ভানু কাকুকে আস্তে হচ্ছে গাড়ি সরাবার জন্য | আপনার গাড়িটা কিন্তু আমিও চালিয়ে সরিয়ে দিতে পারতাম যদি আপনি চাবি দিতেন | কিন্তু আপনি আমাকে আবার চাবি দিতে চান না কেন সেটা আপনি জানেন | আমাকে চাবি দিয়ে দিলেই তো হয়তো সমস্যা মিটতো | যাইহোক আমার পিছনে শ্যামল ঘটক ও তার পরিবারের লোকজন ফন্দি এঁটে ড্রাইভার ভানুর সাহায্য নিয়ে লাইসেন্স কেস দেবিগড় ক্লাব এ এবং অন্যান্য নানা ক্লাবে জানাতে বলে ড্রাইভার দের ইশারা করে | এরপর ড্রাইভার এর দল ক্লাব থেকে অনেক লোকজন এনে আমি লাইসেন্স চুরি করেছি বলে আমাকে পাড়ার মধ্যে এক নির্দয় ব্যক্তি প্রমাণিত করে ফেলে | ( https://youtu.be/DQj7MyIPn0Y ) সেই থেকে পাড়ার অন্যান্য লোকজন আমাকে ঘৃণা করতে শুরু করে | এখন পাড়ার সবাই এমন হয়েছেন যে যেকোনো মিস্ত্রি ,কাজের মাসি নিয়ে ঝামেলাও নিজেরা আপন করে নিচ্ছেন যেন আমরাই প্রকৃত দোষী |  
এরপর হটাৎ করে একদিন গাড়ি সরাতে একটু দেরি করে ফেলেছি বলে ( বাথরুমে ছিলাম ) ঘটক পরিবারেরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে আমাকে পিঠের চামড়া গুটিয়ে দেবে বলে, এরপর আরো নানান ভাবে আমাকে অপমানিত করে সবার সামনে আমাকে একদম ছোটলোক বোঝাতে চেষ্টা করতে থাকেন ওনারা | তিনি এও বলেন যে আমি একটা যেকোনো কলেজের ইঞ্জিনিয়ার | আই.আই.টি এর ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া চলবে না | এরপর আমি উকিলবাবু গোপাল মন্ডলের শরণাপন্ন হই | উনি আমাকে পরামর্শ দেন যে ঘটক পরিবারেরা আমার বাড়ি দখল করতে চাইছেন | উনার কথামতো আমি আমার বাবার বাড়িটাকে আমার আর আমার মায়ের নামে করতে ব্যস্ত হয়ে উঠি | অনেক দৌড়ঝাঁপ করে মিউটেশন সার্টিফিকেট বের করি | এতে প্রায় একবছর সময় চলে যায় | এইসব করার পর আমি ক্লান্ত হয়ে উঠি |এছাড়াও উকিলবাবু গোপাল মন্ডল আমাকে ঘটক পরিবারের বিরুদ্ধে চারটি কেস করবার কথা বলেন | ওনার কথামতো আমি তাই করি | 
পুলিশ আসলে ওঁরা আমার নামে পুলিশকে বলতে শুরু করে | ঘটক পরিবারেরা পাড়ার মধ্যে মেয়ে যাদের আছে তাদের বাবাদেরকে সাথে নিয়ে পুলিশের সামনে ভয় পাওয়ার অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ হয়ে উঠে বলে যে ওনাদের পাড়ায় সবারই মেয়ে আছে | আমি কখন না কখন ওনাদের মেয়েদের হাত ধরে টান দেব সেই ভয়ে ওনারা ভীত | আরে বাবা, আমারও  তো বিয়ে থা করবার ইচ্ছা আছে | এরকমভাবে পাড়ার সবাইকে আমার সম্মন্ধে ভুল বিভীষিকা ভাবতে দেখে আমার মাথা খারাপ হয়ে যায় | আর ওনারা এইবার আমার চরিত্রতেও কালী লাগাতে চায় দেখে আমি আস্তে আস্তে মানসিক ভাবে অসুস্থ  হয়ে পড়ি এবং রেগে গিয়ে ( সম্ভবত,আমার ডাক্তারবাবু উদয় চৌধুরীর ওষুধের বিক্রিয়ায় আমার মধ্যে এতো রাগ উৎপন্ন হয়  ) আমার দশ বৌ  আছে বলে বাড়ির সামনে পোস্টার লাগিয়ে দি , যাতে আমার কোনো ঝামেলায় আর ওঁরা কেউ নাক না গলায় | কিন্তু ঝামেলায় নাক গলাবে না ভাবলেই হবে ? 
এছাড়াও গোমতী ভবন আমাকে নানান ভাবে উত্তক্ত করতে থাকে সেইজন্য আমি আবার তাদের নামেও একটা পোস্টার দিয়ে দি | এরপর তারা আমাকে জেল এ পাঠায় ( ০৫.০১ .২০১৯  ) | জেল এ গিয়ে সেখানে দায়িত্বে থাকা অফিসার ইন চার্জ স্যার এর নির্দেশমতো আমি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার চেষ্টায় এক গ্রামের মেয়েকে বিয়ে করে সংসার শুরু করি |  কিন্তু আমার কানের মধ্যে সবাই যেন সবসময় কথা বলছে | এবং তারা আমার ভালো চায়না | কিভাবে আমার ক্ষতি হবে সেই চিন্তায় তাদের রাতে ঘুম নেই | ডাক্তারবাবুর কথায় এই অসুখের নাম Schizophrenia nearing psychosis| এরকমভাবে চলতে থাকলে তো আমি মারা যাবো |

















Restrain Order : 







Legal Protection








Caveat






Post a Comment

0 Comments